৭৭তম সাধারণতন্ত্র দিবসে দেশবাসীকে বিকশিত ভারতের সংকল্পের বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
এবারের সাধারণতন্ত্র দিবসে বাংলা যোগ বেশ প্রবল। বন্দে মাতরমের ১৫০ বছর পূর্তিই এই অনুষ্ঠানের এবারের থিম। পাশাপাশি ২০২৬ সালের সাধারণতন্ত্র দিবসে এবার আমন্ত্রিত ইউরোপীয়ান কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তনিও কোস্টা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান উরসুলা ভন। বিশ্বজুড়ে শুল্কের খাঁড়া হাতে ট্রাম্পের দাপাদাপির মাঝে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে ভারতের ঘনিষ্ঠতা ও মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি এবারের সাধারণতন্ত্র দিবসের মূল বার্তা। ‘মহিলাদের অগ্রগতিই দেশের উন্নতি’,
আজ ঐহিত্যবাহী রাজস্থানী আদলে তৈরি পাগড়ির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী পরেছিলেন গাঢ় নীল ও সাদা কুর্তা-পাজামা এবং হাল্কা নীল নেহরু জ্যাকেট। এদিন শুরুতেই তিনি ন্যাশনাল ওয়ার মেমোরিয়ালে শহিদ জওয়ানদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এবং অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথিদের কর্তব্য পথে স্বাগত জানান। ভারত প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আত্মনির্ভর হচ্ছে ,
২০২৬ সালের সাধারণতন্ত্র দিবসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আবারও তাঁর পোশাক এবং পাগড়ির মাধ্যমে বিশেষ ছাপ ফেললেন। তাঁর উজ্জ্বল রঙের পাগড়িটি দৃষ্টিনন্দন। এই পাগড়ি আসলে উদযাপন, সৌভাগ্য এবং ঐতিহ্যের প্রতীক। আমেরিকা, চিনের পরেই ভারত
প্রতি বছরই প্রধানমন্ত্রীর পাগড়ি আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে। গত কয়েক বছরে তাঁর পাগড়িগুলোতে বৈচিত্র্য দেখা গিয়েছে। ২০২৫ সালে পরেছিলেন একটি গেরুয়া রঙের পাগড়ি। সঙ্গে সাদা কুর্তা-চুরিদারের সঙ্গে গেরুয়া রঙের বন্ধগলা জ্যাকেট এবং একটি তেরঙা উত্তরীয়।