বৃহস্পতিবার রীতিমতো উৎসবের মেজাজে ভোট দিলেন ফলতাবাসী। এমনকী 'পলাতক' তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খানের স্ত্রীও দিলেন ভোট। এদিন জাহাঙ্গিরের বাড়ি, পার্টি অফিসের আশপাশ শুনশান হলেও রেজিনা বিবি বাড়ি থেকে বেরিয়েই গেলেন ভোট দিতে। সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরা অবশ্য তাঁকে স্বামীর বিষয়ে প্রশ্ন করে। কিন্তু তিনি মুখ ঢেকে এড়িয়ে যান। এমন পরিবেশে ভোট দিতে পেরে ফলতাবাসী অত্যন্ত আনন্দিত। বলছেন, বহু বছর পর এভাবে ভোট দিতে পারলেন।
দিনভর তেমন কোনও অভিযোগ ছাড়াই মিটেছে ফলতার পুনর্নির্বাচন। প্রায় ২৮৫ বুথে একপ্রকার তৃণমূল এজেন্ট ছাড়াই মিটেছে ভোট। শাসক-বিরোধী সকলেরই দাবি, অশান্তি তো নেই, গত ৪ তারিখের আগেও যে পরিবেশ ছিল এলাকায়, তা বদলে গিয়েছে।
কংগ্রেসের প্রার্থী জাহাঙ্গীর খান, যিনি নিজেকে এলাকার 'পুষ্পা' (জনপ্রিয় তেলুগু সিনেমা 'পুষ্পা: দ্য রাইজ'-এর অনুকরণে) বলে প্রচার করতেন এবং তাঁর সমর্থকরা "এবি (অভিষেক ব্যানার্জি) ঝুঁকেগা নেহি" স্লোগান ব্যবহার করতেন, তিনি পুনর্নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান। এর ফলে তিনি এবং তাঁর দল সেই কেন্দ্র থেকে পিছিয়ে পড়ে।
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার কটাক্ষ করে বলেন, "পুষ্পা" এবার ফালতু প্রমাণিত হয়েছে, এবং ডায়মন্ড হারবারের 'পুষ্পা' ও তাঁর বস অভিষেক ব্যানার্জির এজেন্টও এখন মাথা নত করেছে। এই ঘটনার জের ধরেই "অভিষেক মডেল" (তৃণমূলের সাংগঠনিক কৌশল) এবং তাঁর অনুগামীদের কার্যকারিতা বিরোধীদের প্রশ্নের মুখে পড়েছে।