Flash News
    No Flash News Today..!!
Thursday, May 14, 2026

বাংলায় এবার বুলডোজার চলছে চলবে

banner

journalist Name : সুশঙ্কর দেব

#Pravati Sangbad Digital:

বুলডোজ়ার চলল কলকাতায়! শুভেন্দুর নির্দেশের পরেই ভাঙা হল তপসিয়ার অবৈধ নির্মাণ।   

প্রশাসক ছাড়া বা প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া কেউ বুলডোজার দিয়ে কোন নির্মাণ ভাঙতে পারবে না। আইন কেউ নিজের হাতে নেবেন না।

তপসিয়ার চামড়ার কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের পর কলকাতায় বুলডোজ়ার চলেছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ওই কারখানার সামনে পৌঁছে যায় জেসিবি। সমগ্র বহুতলটি ভেঙে ফেলার কাজ চলছে। শুভেন্দু জানিয়েছেন, বহুতলটি অবৈধ ভাবে নির্মিত। তাই তা ভেঙে ফেলা হবে। সেই সঙ্গে শহরের বিভিন্ন প্রান্তে এই ধরনের অবৈধ নির্মাণ চিহ্নিত করার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি। আলাদা করে উল্লেখ করেছেন কসবা, তিলজলা, মোমিনপুর, একবালপুরের মতো এলাকার কথা। অবৈধ নির্মাণগুলিতে বিদ্যুৎ সংযোগ এবং জলের লাইন কেটে দিতে বলেছেন তিনি। শুভেন্দু জানিয়েছেন, অবৈধ নির্মাণ নিয়ে তাঁর সরকার ‘জ়িরো টলারেন্স’ নীতি নিচ্ছে। যাঁদের সতর্ক হওয়া প্রয়োজন, তাঁরা যেন এখনই সতর্ক হয়ে যান।

কলকাতায় (টপসিয়া এলাকায়) বেনিয়ম ও অবৈধ নির্মাণ ভাঙার জন্য বুলডোজার অ্যাকশন চলছে, যা বঙ্গে বিজেপি সরকারের আমলে প্রথম পদক্ষেপ। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে কলকাতার অবৈধ জবরদখল ও নির্মাণ খালি করা হচ্ছে, যা নিয়ে রাজনৈতিক তরজাও শুরু হয়েছে।

উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের "বুলডোজার মডেল" বাংলার রাজনীতিতেও এসেছে, যাকে বিজেপি "বেনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা" হিসেবে দেখছে।

তবে এর আগেও কলকাতা পুরসভা ফুটপাতের অবৈধ দখল হটাতে বুলডোজার ব্যবহার করেছে।

মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, তিলজলার ঘটনা নিয়ে চারটি দফতরের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মুখ্যমন্ত্রীকে রিপোর্ট দিয়েছে। সেখানেই দেখা গিয়েছে, কারখানার বহুতলটির কোনও বিল্ডিং প্ল্যান ছিল না। অগ্নিনির্বাপনের বন্দোবস্তও ছিল না। অবৈধ ভাবে কারখানা চলছিল। একে ‘অশনিসঙ্কেত’ বলে উল্লেখ করেছেন শুভেন্দু। তবে তড়িঘড়ি বুলডোজ়ার চালিয়ে দেওয়ার নির্দেশের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন বিরোধীরা। ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি এ ভাবে বহুতল ভেঙে দেওয়াকে ‘অসাংবিধানিক’ বলে উল্লেখ করেছেন। ওই বহুতলের ভাড়াটেদের পুনর্বাসনের দাবি এবং বেআইনি কাজে আরও কেউ যুক্ত কি না, খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

তপসিয়া-অগ্নিকাণ্ডে আরও কড়া রাজ্যের বিজেপি সরকার! সাসপেন্ড করা হল প্রগতি ময়দান দমকলকেন্দ্রের অফিসার তথা ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক গৌতম দাসকে। কর্তব্যে গাফিলতির জন্যে বুধবার রাতে তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। ইতিমধ্যে রাজ্যের দমকল এবং জরুরি বিভাগের ডিজি-র তরফে এই বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়ে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। সেখানেই গৌতম দাসকে সাসপেন্ডের কথা জানানো হয়েছে। শুধু তাই নয়, তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু করতে বলা হয়েছে। আর তা শেষ করতে হবে আগামী একমাসের মধ্যে।

শহরের সমস্ত অবৈধ কারখানায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার এবং জলের লাইন কেটে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন শুভেন্দু। তিলজলার ওই কারখানাতেও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিতে বলেছেন সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ সরবরাহকারী সংস্থাকে। তাঁর কথায়, ‘‘বিদ্যুৎ সরবরাহকারী সংস্থাকে স্থায়ী ভাবে ওই কারখানার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার নির্দেশ দিয়েছি। এ ছাড়া, সিইএসসি-কে বিদ্যুৎসচিবের মাধ্যমে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, এই ধরনের অবৈধ কারখানা যত আছে, বিশেষ করে কসবা, তিলজলা, মোমিনপুর, একবালপুর এলাকায় অবিলম্বে অভ্যন্তরীণ অডিট করে সেখানে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে হবে।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘পুর ও নগরোন্নয়ন সচিবকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, এক দিনের মধ্যে ওই অবৈধ পরিকাঠামো ভেঙে দিতে হবে। পুরসভার উদ্যোগে কলকাতা পুলিশের সাহায্য নিয়ে তা করতে হবে। এ ছাড়া, পুরসভাকে বলা হয়েছে, এমন অবৈধ বিপজ্জনক কারখানাগুলিতে জলের লাইন কেটে দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে, আমাদের নীতি জ়িরো টলারেন্স। ’’

১৫ বছর পর রাজ্যে ফের পালাবদল ঘটেছে। নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে বিজেপি। আর এই আবহে নির্বাচনের গণনার দিনই গভীর রাতে নিউ মার্কেট এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ, বিজেপির ঝান্ডা হাতে একদল যুবক হগ মার্কেট সংলগ্ন এলাকায় হকারদের অস্থায়ী কাঠামো ভেঙে দেয়। পাশাপাশি তৃণমূলের পার্টি অফিসও ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে জনমানসে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে যায় পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী।

হগ মার্কেটের এই ঘটনায় পদক্ষেপ করেছে পুলিশ। বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কলকাতা পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দা জানিয়ে দিয়েছেন, জেসিবি নিয়ে কোনও মিছিল করা যাবে না। এমনকী যারা এই সমস্ত জেসিবি ভাড়া দিচ্ছেন, তাঁদের বিরুদ্ধেও আইন মেনে কড়া পদক্ষেপ করা হবে। এমকী বিজয় মিছিল করার ক্ষেত্রেও আগাম অনুমতি নিতে বলেও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর হেলমেটহীন বাইক চালকদের ধরার ব্যাপারে গুরুত্ব দিল পুলিশ। একইসঙ্গে এক বাইকে দু’জনের বেশি আরোহী ধরার ব্যাপারেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় চলছে নাকা চেকিং। গত সোমবার থেকে বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত হেলমেট না পরে বাইক চালানোর অভিযোগে ৩৩০২ জনকে ধরেছে পুলিশ। এদিকে, শহরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ও ‘ক্রাউড ম্যানেজমেন্ট’-এর জন্য এবার থেকে প্রত্যেক ১৫ দিন অন্তর প্রত্যেকটি ডিভিশনে ‘মাস্টার প্যারেড’ শুরু করার নির্দেশ দিল লালবাজার।

Tags:

#Source: online/Digital/Social Media News # Representative Image

Related News