।।আমাদের এই মধ্যমগ্রামে ১৪৮টি পুজো শান্তিপুর্ণভাবেই প্রতিবছর সম্পন্ন হয়।।

banner

#Pravati Sangbad Digital Desk:

বাংলার ১২টি সামন্ত প্রদেশের মধ্যে একটি প্রদেশের নাম ছিল মাঝের গাও। মুঘল সম্রাটদের শাসনকালে রাজা প্রতাপাদিত্য রায় এই অঞ্চলের রাজা ছিলেন। এরপরে নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা-র শাসনাবসানকালে বিশ্বাসঘাতক মীরজাফর ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কাছ থেকে যৌতুক হিসেবে এই অঞ্চল অধিকার করেন। ১৮৮২ সালে চক্রধরপুর মৌজা এবং গুচুরিয়া মৌজা-র মধ্যবর্তী এই অঞ্চলে রেললাইন তৈরি করা হয়। এই অঞ্চলই মধ্যমগ্রাম নামে পরিচিত। 
জঙ্গলে পরিপুর্ন মধ্যমগ্রামে ১৯২৪ সালে পঞ্চায়েত ভেঙে  একটি ইউনিয়ন গঠিত হয়। ১৯৫০ সালের মধ্যে বসুনগর এবং গঙ্গানগরকে যোগ করে ৩টি আঁচল পরিষদে রুপান্তরিত হয়। পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের উদ্বাস্তুরা এই অঞ্চলে বসবাস করতে শুরু করেন। ১৯৯৩ সালে প্রথম মধ্যমগ্রাম পুরসভা গঠিত হয় এবং তৎকালীন শাসকদলের মনোনীত প্রার্থী শ্রীযুক্ত সরল সেন মধ্যমগ্রামের পুরপ্রধানের দায়িত্ব পান। এরপরে বর্তমানে রাজ্যের খাদ্য ও সরবরাহ মন্ত্রী শ্রীযুক্ত রথীন ঘোষ মহাশয় ১৯৯৯ সালে প্রথমবার মধ্যমগ্রামের পুরসভার দায়িত্ব পান। ২০০৪ সালে রথীনবাবু সেই দায়িত্ব থেকে সাময়িক অবসর নিলেও ২০০৯ সালে ফের আরেকবার মধ্যমগ্রামের পুরপ্রধানের আসন অলংকৃত করেন। সেই ২০০৯-২০২০ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ১১ বছর মধ্যমগ্রামের মানুষের সেবা করে এরপর সেই গুরু দায়িত্ব শ্রীযুক্ত নিমাই ঘোষকে অর্প্ণ করেন।
বর্তমান পুরপ্রধান নিমাই বাবুর কথায়, এই এলাকা শান্তিপূর্ণ এলাকা। এখানে ১৪৮ দুর্গা পুজো হয়, প্রতিটিই শান্তিপুর্নভাবে। নিমাইবাবু এও জানান এই এলাকার মানুষেরা আমাদের বিশ্বাস করে এই পর্যায়ে এনেছেন, তাঁর পুর্ন মর্যাদা রাখতে মধ্যমগ্রাম পুরসভা সবসময়ে সচেতন। মধ্যমগ্রামের বিভিন্ন মানুষ চাকরির সুবাদে বিভিন্ন জায়গায় রয়েছেন তাঁরা যাতে শান্তিপুর্নভাবে এই পুজো কাটাতে পারেন তাঁর দিকে নজর রাখবেন। বর্তমানে ডেঙ্গু এবং বিভিন্ন রোগ যাতে প্রতিহত করা যায় তাঁর দিকে পুরসভা সচেষ্ট থাকবেন।


#Source: online/Digital/Social Media News # Representative Image

Journalist Name : Tamoghna Mukherjee

Tags: