Flash news
    No Flash News Today..!!
Tuesday, May 21, 2024

কম খরচে মাছ-মাংসের বদলে সোয়াবিন কতটা উপকারী, জেনে নিন বিস্তারিত

banner

#Pravati Sangbad Digital Desk:

ক্যালোরি ও পুষ্টিগুণের দিক থেকে এই খাদ্য অনেক পুষ্টিবিদদের প্রথম পছন্দ। শরীরচর্চায় অভ্যস্ত ও ডায়েবেটিক রোগীদেরও নিশ্চিন্তে সোয়াবিন খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। কারণ, সোয়াবিন হল একধরনের শুঁটি জাতীয় উদ্ভিদ।
সোয়াবিনের আদিনিবাস দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াতে। সামান্য সুজি, পরিমানমত অ্যামোনিয়া ও জলের মিশ্রণে সোয়াবিনের বড়ি তৈরি করা হয়। তাই এটি ১০০% নির্ভেজাল। বর্তমানে মাংসের পাশাপাশি এর চাহিদা দিন দিন  বৃদ্ধি পাচ্ছে। ১০০গ্রাম সোয়াবিনে রয়েছে প্রোটিন - ৪৩গ্রাম, শর্করা -৩০গ্রাম আর ফ্যাট – ২০গ্রাম।

উপকারিতা – i) সোয়াবিনের প্রোটিনের মস্তিষ্কের সেরিব্রাল কর্টেক্সকে সতেজ রাখে। ফলে সহজে ক্লান্তিভাব আসেনা।
ii) সোয়াবিনে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স থাকে। ফলে খাদ্য হজমে সহায়তা করে, রক্ত কোষের বৃদ্ধি ইত্যাদি।
iii) হার্ট ও লিভারকে সতেজ রাখতে সাহায্য করে। ফলে হার্ট  অ্যাটাকের সম্ভাবনার অনেক মাত্রায় কমে যায়।
iv) সোয়াবিনে অ্যানটি-অক্সিডেন্ট শরীরের রগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
v) বিপাক ক্রিয়ায়ে সাহায্য করে, যা অনিদ্রাজনিত অসুখ দূর করে খুব সহজে।

vi) এছাড়া, কোলেস্টরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রন রাখে ও রক্ত পরিশুদ্ধ করতে সাহায্য করে।
v) প্রাণীজ প্রোটিনের পরিবর্তে বিকল্প প্রোটিন হিসাবে নিয়মিত সোয়াবিন গ্রহণ করা যায়।
vi) সাবান, গ্লিসারিন, রং, মুদ্রণের কালি প্রভৃতি দ্রব্য বাণিজ্যিক উৎপাদনে সোয়াবিন অপরিহার্য উপাদান হিসাবে ব্যবহার হয়।
vii) কাঁচা সোয়াবিন গাছ গবাদি পশুদের খাদ্য হিসাবে এবং জমির উর্বরতা বৃদ্ধিতে ব্যবহার করা হয়।
viii) ২৮.৬ গ্রাম প্রোটিনের উৎস মাত্র এক কাপ সোয়াবিন যা প্রায় ১৫০ গ্রাম চিকেন ব্রেস্ট হতে প্রাপ্ত প্রোটিনের সমতুল্য অধিকন্তু এই উদ্ভিজ্জ প্রোটিন আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং প্রচুর পরিমাণ ফাইবার সমৃদ্ধ হয়ে থাকে।
ix) ক্যান্সার প্রতিরোধেও সোয়াবিন উপযোগী।  
x) ডায়েবেটিস নিয়ন্ত্রনে রাখতে সোয়াবিন উপযোগী।
xi) সোয়াবিনে বিদ্যমান আইসোফ্ল্যাবনস মেনোপজের লক্ষণ, প্রস্টেট ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।
xii) কিশোর বয়সে ছেলেমেয়েদের মুখমণ্ডল, গলায় ফুসকুড়ি ও কাল আঁচিল দেখা যায়, আবার অনেকের মুখে মেচেতার দাগ দেখা যায়। এইসব দূরীকরণ করতে সোয়াবিন তেল উপকারি।

xiii) যাদের শরীরে ল্যাক্টোজের ঘাটতি রয়েছে, অথবা যারা দুধ বা ডেয়ারি প্রোডাক্ট হজম করতে অক্ষম। তাদের শরীরে ল্যাকটোজের সাম্যতা বজায় রাখতে পাতে রাখতে পারেন সোয়াবিন দুধ।
xiv) পুষ্টিবিদদের মতে, সোয়া দুধে রয়েছে গরুর দুধের মতোই প্রোটিন জাতীয় উপাদান।
xv) এই সোয়া দুধে রয়েছে ৩.৫% প্রোটিন, ২% ফ্যাট এবং ২.৯% কার্বোহাইড্রেট। ফলে সোয়া দুধ পান ডায়াবেটিস ও হৃদরোগ এবং ফ্যাট কমানোর জন্য অত্যন্ত উপকারী।

#Source: online/Digital/Social Media News # Representative Image

Journalist Name : Swarnalye Paul

Related News